secret code

Invalid code. Please try again.

Couple
এত কিছু হইছে যে, সত্যি বলতে কোথা থেকে শুরু করবো সেটা বুঝে উঠতে পারছি না। কিভাবে কি বলবো তাও জানি না, শুধু জানি কথা গুলো না বলে থাকতে পারছি না, কথা গুলো বলা উচিত।
Happy moments
আগেই বলি আমি খুব বেশি জটিল করে কথা বলতে পারি না, বড় ছোট মানি না কাউকে কিছু বলার থাকলে সরাসরি বলে দেই (করো পেছনে কথা বলি না)
Together
আর সেই সরাসরিই বলতে চাই, আমার যে পছন্দের মানুষ(অধরা), যার প্রতি এই না বলা ভালোবাসা জমে আছে, যার কথা ভাবলেই মনটা নরম হয়ে যায, সেই "অধরা" আপনি! যার নামটাও আপনিই দিছেন.
Proposal
ওয়েট ওয়েট ওয়েট,
প্লিজ সাইট থেকে বের হইয়েন না।
দয়া করে ২ মিনিট টাইম দিয়ে সব গুলো পরে যাবেন।
Romantic
আমি জানি আপনাকে আমার এইসব কথা গুলো বলা ঠিক হচ্ছে না। কিন্তু না বলে পারছি না। আপনি সেদিন (15 Mar) দুপরে যখন বললেন বিয়ের কথা সে দিন থেকেই আমার অবস্থা কেমন যেন হয়ে গেছে, না বাইরে ভালো লাগছে আর না বাসায়।
Romantic
হুট করেই কেমন জানি হয়ে গেছিলাম, প্রতিদিন একসাথে ২ টা করে মানসিক প্রশান্তি (Mental Anxiety) এর ঔষধ খাইছি, তবুও ভালো লাগছিল না. তাই আপনার সাথেও কথা বলিনি। সবসময় মনে হতো আপনি ব্যস্ত, আপনাকে বিরক্ত না করি।
Romantic
আমি সব সময় আপনাকে স্টক করতাম। আপনি যেদিন আপনার বিয়ের কথা বললেন, তার চারদিন আগেই থেকে আমি আপনার অ্যাক্টিভিটি লক্ষ্য করছিলাম। আপনি মেসেঞ্জারে খুব কম অ্যাক্টিভ থাকতেন, কিন্তু হোয়াটসঅ্যাপে একটু বেশি অ্যাক্টিভ থাকতেন।
Romantic
এমনও দেখতাম, আপনি মেসেঞ্জারে ৪-৫ ঘণ্টা আগে অ্যাক্টিভ ছিলেন, কিন্তু হোয়াটসঅ্যাপে তখনই "Online"। হতে পারে কাজের জন্যই ছিলেন, কিন্তু আমার মনটা কেমন কেমন করছিল। ঠিক চারদিন পর মেসেজ দিয়ে আপনিই সব বলে দিলেন.
Romantic
আমি শুধু আপনার অ্যাক্টিভিটি চেক করতাম এমনটা না, আপনার প্রতিটা ছবি, My Day (Story) এর ভিডিও সব কিছুই আমি save করে রাখতাম। যেদিন থেকে আপনার ফেসবুক আইডিটা হাতে পেয়েছি, সেদিন থেকেই।
Romantic
আপনার ফেসবুক আইডি পেতেই অনেক কষ্ট হয়েছিল, আপনার মনে আছে কিনা জানি না, আমি কেমিস্ট্রির বিক্রিয়া নিয়ে জানার জন্য আপনাকে ফোন করে প্রশ্ন করতাম, এক পর্যায়ে নিজেই বলে ফেললাম আপনার ফেসবুক আইডির নাম কি? তখন আপনি বলেছিলেন, আপনি বেশি ফেসবুক ব্যবহার করেন না। যাক তবুও দিয়েছিলেন।
Romantic
তখন থেকেই আপনার ছবি collect করা শুরু। মাথায় ঘোমটা দেওয়া, কালো জামা পরা ছবিটা খুব ভালো লেগেছিল। আমি যখন ক্লাস ১০ এ পড়ি, তখন নিজের টাকায় একটা নকিয়া ফোন কিনেছিলাম, আর সেই ফোনে আপনার ছবিটাকেই ওয়ালপেপার হিসেবে সেট করেছিলাম।
Romantic
এখন যখন আইফোন নিলাম, ফোন কেনার আগেও রঙটা আপনাকে জিজ্ঞেস করে নিয়েছিলাম (যদিও আপনি পরে পছন্দ করেননি)। কিন্তু আইফোন নেওয়ার পরেও প্রথম কলটা আপনাকেই দিছি।
Romantic
এই একটা কলের জন্যই আমি আমার পুরনো ফোনটা রেপ্লেস করিনি প্রায় ১৬ দিন। আর প্রথম ওয়ালপেপার হিসেবে আপনার দেওয়া, হাতের চুড়ি পরা ছবিটাই সেট করেছিলাম।
Romantic
যদি কখনো আপনার ফোন থেকে আপনার ছবি ডিলিট হয়ে যায়, আমাকে বলবেন, আমি দিয়ে দেবো। 🙂
Romantic
কিন্তু আগে তো এত কথা হতো না…
Romantic
যখন থেকে টুকটাক কথা হওয়া শুরু হলো, আমার যতদূর মনে পড়ে, কখনোই আপনার কাছে ছবি চাইনি, একদিন ছাড়া। নানা সোর্স থেকে নিজে নিজেই সংগ্রহ করতাম, এখানেও অন্যরকম ভালো লাগা কাজ করতো।
Romantic
যে দিন দুপুরে বিয়ের কথা বললেন, তার ঠিক ৩-৪ দিন পর, সকাল বেলা পূজা দিয়ার সময় হটাৎ করেই কেন জানি আপনার কথা ভেবে কান্না করে দিছি।
Romantic
চোখ থেকে পানিও পড়েছে নিচে। এমনটা আগে কখনো হয়নি। আপনজন মারা যাওয়ার কথা শুনেও চোখের পানিতো দূরের কথা কান্নাও পাইনি।
Romantic
একবার যখন সুস্মিতা পিশির বাসায় যায় আমি, মা আর মামা, তখন দিদি মায়ের সাথে কাউকে নিয়ে কথা বলতে বলতে আমাকে বলছিল,
Romantic
"আকাশ, ভুলেও কখনো এইসব কাজ কইরো না, যাই করো নিজ ধর্মের মধ্যে থাইকো" (তখনই মনে মনে বলছিলাম, "একজনকেই পছন্দ করে জীবন গেল, আবার অন্য ধর্মে যাবো!")
Romantic
আমি জানি আপনি আমার থেকে সিনিয়র, কিন্তু আমার মনে হয় একটা অনুভূতি কখনো এসব দেখে হয় না।
Romantic
আর আমি সেই ১০ বছর আগে, যখন আপনি আর দাদু আমাদের বাসায় প্রথম এসেছিলেন, তখন থেকেই আপনার কিছু কিছু জিনিস দেখে আপনাকে আমার ভালো লেগে যায়। ভালো লাগা/পছন্দ করা শুরু হয় তখন থেকেই।
Romantic
আমি জানতাম আপনি আমার সিনিয়র, আপনাকে আমি পাব না। তবুও বোকার মতো রোজ প্রার্থনা করতাম যেন আপনাকে বউ হিসেবে পাই (যদিও তখন প্রেম-ভালোবাসা আসলে কী, বুঝতাম না)
Romantic
কিন্তু আপনার সাথে তো আমার কখনো দেখা হতো না, নিয়ম করে কথাও হতো না, তবুও কেন যেন আপনার প্রতি একটা টান ছিল!
Romantic
কখনো অন্য কোনো মেয়ের প্রতি অনুভূতি কাজ করত না। এমন না যে নতুন কোনো মেয়ে দেখিনি, কিন্তু মন থেকে একটাই ভালো লাগা ছিল, আর সেটা ছিল শুধুই আপনার প্রতি।
Romantic
এমন না যে আপনাকে ছাড়া আমার হবেই না, আপনাকে ছাড়াও হবে, কিন্তু সমস্যা হলো, ভগবান শুধু একটাই কপি বানিয়েছে, আপনার কোনো ডুপ্লিকেট নেই। আর সেই কারণেই, আপনাকে ছাড়া হবে না।
Romantic
আমি কখনোই এসব কথা আপনাকে বলতে চাইনি, চেপে রাখছিলাম। কিন্তু ইদানীং খুব খারাপ লাগছিল আপনাকে নিয়ে। মুড অফ ছিল অনেক দিন ধরে।
Romantic
তখন গুরুকে জিজ্ঞেস করলাম, কি করবো? বলে দিবো নাকি? বললে হয়তো আমাদের এখনকার চলমান সম্পর্কটা নষ্ট হয়ে যাবে, কিন্তু এই দুনিয়ায় তো আমরা খুব অল্প সময়ের জন্যই আছি, বাঁচবোই বা আর কতদিন?
Romantic
আজ আছি, কাল হয়তো থাকবো না। মনের মধ্যে কথা জমা করে না রেখে বলে দিয়া ভালো। না বললে হয়তো তখন আফসোস থেকে যাবে, "কেন বললাম না?"
Romantic
তাই ভাবলাম, বলে দেই। মনটা অন্তত হালকা হবে। (গুরুও বললো, বলে দেন!)
Romantic
ভেবেছিলাম সরাসরি বলবো, আপনি বাড়ি যাবেন, আমিও বাড়ি যাবো, দেখা হবে। কিন্তু কপাল এই দিকেও খারাপ, আপনি এই সময়ে বাড়ি যাবেন না।
Romantic
তারপর মাথায় আসলো, মেসেজ দিয়ে হয়তো এত কথা বলা যাবে না, আর নেট থাকবে কিনা তাও জানি না। তাই এই ওয়েবসাইট বানালাম। বাড়ি আসার এক দিন আগে সব কিছু।
Romantic
মনের সব ভাঙা ভাঙা কথাগুলো এলোমেলো করে লিখে ফেললাম।
Romantic
আমি জানি না আজকের পর থেকে আমাদের এই সম্পর্ক থাকবে কিনা, আর কথা হবে কিনা। কিন্তু আমার দম বন্ধ বন্ধ লাগছিলো, রাতে ঘুম হচ্ছিল না (মাল্টিপল রিল্যাক্স এর মেডিসিন খাচ্ছিলাম)।
Romantic
এই নিয়ে ভাবতে ভাবতে মাথা পুরোপুরি ডিস্টার্বড হয়ে গেছে। আপনি বলেছিলেন রাজশাহী যেতে, কিন্তু আমি স্বপ্নে কতবার রাজশাহী গেছি, তা নিজেও জানি না (অতিরিক্ত চিন্তার ফল)। তাই সব কিছু বলে দেওয়ার চিন্তা মাথায় আসলো।
Romantic
কিছু মানুষ, কিছু মানুষের সাথে সবটা জুড়ে থাকলেও ভাগ্যে থাকে না, আবার কিছু মানুষ ভাগ্যে থাকলেও, সবটা জুড়ে থাকতে পারে না।
Romantic
আপনি আমার না হয়েও, রয়ে গেছেন আমার অন্তরে, কল্পনায়।
Romantic
কখনো কখনো কিছু অনুভূতি এত গভীর হয়ে যায়, যে তা শব্দে প্রকাশ করা কষ্টকর হয়ে পড়ে।
Romantic
আপনার পছন্দের জিনিসগুলোই আমার সবসময় ভালো লাগতো। সেই মধুমালতি ফুল থেকে, এখন ফুল দেখলে ধরে দেখতে মন চায়।
Romantic
একবার বলেছিলেন ছোটবেলার কথা, মেলায় আপনার নীল জামা পছন্দ হয়েছিলো, কিন্তু আপনার বড়মা সেই জামা কিনে দিচ্ছিলেন না। এর পর থেকে আমি নীল রঙের ড্রেসগুলো বেশি দেখতাম।
Romantic
যে ছেলে কখনো ঘরের বাজার করে না, সেই ছেলে কাউকে না বলে পর্দা কিনে নিয়ে আসে বাসায়, যাতে কাজের ফাঁকে, আপনার কথাই ভাবতে পারে। তাই আপনার পছন্দের পর্দাগুলো কিনে এনেছি (যেন পর্দার দিকে তাকালে আপনার কথা মনে পড়ে)।
Romantic
আমার জীবনের বেস্ট সময় ছিল (১৪ ফেব্রুয়ারি – ১৪ এপ্রিল) ২০২৪। এই দিনগুলোর কথা কখনো ভুলবো না। মাঝে আপনার সাথে অনেক কথা হয়েছে, দুইদিন কথা না বললেই রাগ করে আছি ভেবে, আপনি জিজ্ঞেস করতেন রাগ করে আছি কেন!
Romantic
একবার তো (1st Feb) রাতে ঝগড়া করতেও চলে এলেন, মনে হচ্ছিল অনেক অভিমান করে ছিলেন আমার ওপর। বিশেষ করে (১৪ ফেব্রুয়ারি) প্রিয় মানুষটির সাথে কাটানো ভ্যালেন্টাইন আর সরস্বতী পূজা (একসাথে অঞ্জলি দেওয়া, একসাথে প্রসাদ খাওয়া) এমন একদিন পাবো কখনো ভাবিনি।
Romantic
কিছু কিছু জিনিস উপরেরওয়ালা নিজেই সেট করে দেন(যেমন ঐ দিনটা ), ঐ দিনের মতো ভালো দিন হয়তো আমার জীবনে আর কোনোদিন আসবে না।
Romantic
পহেলা বৈশাখের দিন দেখা, সেদিন তো দেখা হওয়ার কথা ছিল না! সবার সাথে ঘুরতে যাওয়ার প্ল্যান ছিল, কিন্তু কপালে ছিল আপনার সাথে দেখা হবে।
Romantic
বৈশাখের দুই দিন আগে আপনাকে অনেক অনুরোধ করেছিলাম বাড়িতে আসার জন্য, আমিও মনে মনে ভাবছিলাম, ইশ! যদি পহেলা বৈশাখের দিন দেখা হতো!
Romantic
কিন্তু সেই বৈশাখ আর আজকের বৈশাখ, রাত-দিন তফাৎ। একটা বছরে কত কিছু বদলে গেল। আপনাকে বলেছিলাম, আগামী বছর আপনাদের বাড়ির দিকে যাবো।
Romantic
এবার আমি আসছি, কিন্তু আপনি নেই। (এই বছরের শুরু থেকেই আমার ভাগ্য অনেক খারাপ)
Romantic
অনেক অনেক কথা বলার ছিল....তার অর্ধেকও বলতে পারলাম না, কি বলেছি আর কি বলি নাই কিছুই জানি না (মনে যা আসছে তাই বলছি)। 😥
Romantic
জানি না এর পরে আর কথা হবে কিনা আমাদের (এমনিতেই আজাইরা বক বক করে ডিস্টার্ব করেছি অনেক)😕
Romantic
হয়তো আজই আমাদের শেষ কথা, আর যদি দেখা হতো, তাহলে এটাই হয়তো শেষ দেখা হতো (জানি না কিছুই) 🙏